০৩ সেপ্টেম্বর

ইন্টারনেটের ব্যবহার বাড়াতে এবং দেশীয় ইন্টারনেট পণ্য ও সেবার প্রসারে ৫ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর দেশজুড়ে হতে যাচ্ছে ‘বাংলাদেশ ইন্টারনেট সপ্তাহ-২০১৫’। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস), তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ এবং গ্রামীণফোনের যৌথ উদ্যোগে দেশের ৪৮৭টি উপজেলায় হবে এ ইন্টারনেট উৎসব। এ ছাড়া ঢাকা, রাজশাহী, সিলেটে হবে তিনটি ইন্টারনেট মেলা।

রোববার ঢাকায় এই সপ্তাহ উপলক্ষে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ইন্টারনেট লিডারশিপ কর্মশালা’। কর্মশালায় ৪৮৭টি উপজেলার বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তাসহ উপজেলার তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে কাজ করেন এমন অনেকেই যোগ দেন। এর উদ্বোধন করে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ বলেন, ‘সবার অংশগ্রহণে এই উৎসব অবশ্যই সফল হবে।’ পরে তিনি উপজেলা থেকে আসা প্রতিনিধিদের ডিজিটাল মেলা ও ইন্টারনেট সপ্তাহ সফলভাবে আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের পরিচালক (বিপণন) নেহাল আহমেদ বলেন, ‘সবার জন্য ইন্টারনেট লক্ষ্য অর্জনের জন্য মানুষের মধ্যে ইন্টারনেট সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করে যাচ্ছে গ্রামীণফোন। আজকের এই কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা সচেতনতা সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে আমার বিশ্বাস।’
ইন্টারনেট সপ্তাহের আহ্বায়ক রাসেল টি আহমেদ বলেন, ‘বেসিসের ওয়ান বাংলাদেশ ভিশনের অন্যতম লক্ষ্য, বছরে এক কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী তৈরিতে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’ অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব হারুনুর রশিদ, বেসিসের পরিচালক আশ্রাফ আবির, গ্রামীণফোনের পরিচালক ইশতিয়াক হুসেন চৌধুরী, মহাব্যবস্থাপক আজিজুল আবেদীন, উপপরিচালক (বিপণন) তাহমিদ আজিজুল হকসহ অনেকে।
দেশের বৃহত্তম এই ইন্টারনেট উৎসবকে সফল করে তুলতে প্রতিটি উপজেলা থেকে একজন করে ‘আইসিটি ফোকাল পার্সন’কে নিয়ে দিনব্যাপী কর্মশালা চলে। ৫ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর রাজধানীর বনানী মাঠে, ৯ সেপ্টেম্বর রাজশাহীর নানকিন বাজারে ও ১১ সেপ্টেম্বর সিলেটের সিটি ইনডোর স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ইন্টারনেট সপ্তাহ আয়োজন করা হবে। এ ছাড়া ৫ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর দেশের ৪৮৭টি উপজেলায় সব ইউনিয়নে ডিজিটাল সেন্টারের অংশগ্রহণে একযোগে এই উৎসব পালন করা হবে।

Leave a Comment